নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যাত্রাবাড়ী থানা আয়োজিত বিতরণ কর্মসূচি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদপ্রার্থী জনাব নাদিম চৌধুরীর নেতৃত্বে ।
এতে সভাপতিত্বে থানা সভাপতি মিলন হাওলাদার সঞ্চালনায় শামীম আহমেদ – অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব লোকমান হোসেন হাওলাদার , গাজী মোশাররফ , , মোঃ রেদোয়ান , মনির মাস্টার , ফাসিউল আলম জুয়েল,, মাসুদুর রহমান মাসুদ, আলী হোসেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদ , যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সম্পাদক টিটু , ডাক্তার কালাম, ডাক্তার হামিদুল হক মোল্লা , আমির মিয়া , কুলসুম নাকি, লিমা আক্তার , পারভিন আক্তার, হাবিবুর রহমান আল আমিন, জয়নাল আবেদীন , মোহাম্মদ আলী , আব্দুল বাতেন , আলী হোসেন, টিটু, অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন।
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ এডিস মশার চারটি প্রজাতির কামড়েই ডেঙ্গু হতে পারে সচেতনতাই ডেঙ্গু আক্রান্তের একমাত্র প্রতিরোধ
ডঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত ভোরবেলা ও সন্ধার পূর্বে কামড়ায়। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু জ্বর সেরে যায়, তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম ও হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক হতে পারে। বর্ষার সময় সাধারণত এ রোগের প্রকোপ বাড়ে। এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি রোধের মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা যায়। এ বছরের ডেঙ্গু অধিক শক্তিশালী। চিকিৎসকদের মতে, এ ডেঙ্গুতে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, গায়ে র্যাশ ও বমির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এখন ডেঙ্গু হলে সামান্য জ্বরেই হার্ট, কিডনি ও বেইন আক্রান্ত হচ্ছে। সাথে রোগী দ্রুত শকে যাওয়ার আশঙ্কাও বেড়েছে। বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকেই ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে আছেন। এবার গ্রামের চেয়ে শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।
আগে আমরা জানতাম এডিস মশা শুধুমাত্র পরিষ্কার ও স্বচ্ছ পানিতে হয়, এখন দেখা যাচ্ছে নোংরা পানিতেও মশা ডিম পাড়তে পারে। ধারনা করা হতো, এডিস মশা শুধু দিনে কামড়ায়। তাই রোগীদের বলা হতো দিনের বেলা মশারি টানিয়ে ঘুমাতে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে এ মশা দিনে-রাতে দুই সময়েই কামড়াচ্ছে। আগে সাধারণত বর্ষার বা বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ডেঙ্গুর সম্পর্ক থাকতো। এখন দেখা যাচ্ছে সারাবছরই ডেঙ্গু হতে পারে। যেমন এবছর জানুয়ারি থেকে সারা বছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি শীতকালেও এর প্রভাব দেখা গেছে। যদিও বৃষ্টিপাতের সঙ্গে এর সম্পর্ক আছে। তবে কোথাও জমা পানি থাকলেই কিন্তু এ মশা ডিম পাড়ে। এইসব কারণেই বলা যায় যে, ডেঙ্গুও যেমন নিজের লক্ষণ বদলাচ্ছে, এডিস মশাও তেমনি বদলাচ্ছে নিজের চরিত্র।
ডঙ্গু জ্ব¡রের উৎপত্তি ডেঙ্গু ভাইরাস থেকে। এই ভাইরাসবাহী এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে মূলত ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয় দিনের (৩-১৩ ক্ষেত্রে) মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে। ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের হয়। তাই ডেঙ্গু জ্বরও একাধিকবার হতে পারে। তবে যারা আগেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে রোগটি হলে সেটি মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে শরীরে প্রচ- ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় হাঁড় ভেঙে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’। জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচদিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়। যাকে বলা হয় স্কিন র্যাশ, অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়।
Leave a Reply